মাগুরায় পৌর যুবদল নেতা শাকের হোসেনকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা যুবদল। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। এ সময় হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন ছাত্রদলের এক নেতা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে মাগুরা শহরের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি মধুমিতা সিনেমা হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে মাগুরা জেলা যুবদলের সভাপতি ওয়াশিকুর রহমান কল্লোল বলেন, ‘পৌর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক শাকের হোসেনকে একদল সন্ত্রাসী গুলি করে হত্যা করেছে।’ এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ বলেন, শোককে শক্তিতে পরিণত করে তাঁরা রাজপথে নেমেছেন। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করতে হবে।
মাগুরা জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সদস্য কুতুবুদ্দিন রানা বলেন, শাকের হোসেন ছিলেন দলের একজন ত্যাগী নেতা। তাঁকে হারিয়ে তাঁরা গভীরভাবে শোকাহত। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে মাগুরা জেলা ছাত্রদলের নেতা শফিকুল ইসলাম পুলিশ প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, এ সময়ের মধ্যে তাঁর ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে। একই সঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোরে মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন শাকের হোসেন। তিনি মাগুরা পৌর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে একাধিক দল কাজ করছে।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তাঁরা হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এসএ




Comments