লোহাগাড়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের খেলোয়াড় বাছাইয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২)-এর ইউনিয়ন পর্যায়ের খেলোয়াড় যাচাই-বাছাই কার্যক্রম আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বায়েজীদ বিন আখন্দের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এসএম চিশতী।
সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি মাস্টার নাছির আহমেদ ও এসএম শাহাব উদ্দিন, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের রেফারি নাছির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হক, কোষাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ আলম, ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মিজানুর রহমান নিশান, বার আউলিয়া ডিগ্রি কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক মুহাম্মদ আলমগীর, পদুয়া এসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মুহাম্মদ হোছাইন, কলাউজান ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ভুট্টু এবং পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ আমানুল হক প্রমুখ।
এ ছাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্যান্য সদস্য, বিভিন্ন ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান, ক্রীড়া শিক্ষক ও রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের নেওয়া নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এ উদ্যোগ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে। একসময় তারাই জাতীয় দলের নেতৃত্ব দেবে এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের পতাকাকে সমুন্নত রাখবে।
তারা আরও বলেন, খেলাধুলার প্রসার ঘটলে শিশু-কিশোরদের মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখা সম্ভব হবে।
সভায় জানানো হয়, লোহাগাড়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে দক্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তুলতে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে মোট ১০টি ইভেন্টে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের যাচাই-বাছাই করা হবে।
এ লক্ষ্যে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানকে প্রধান করে দুজন ক্রীড়া শিক্ষক, একজন রেফারি এবং উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যদের সমন্বয়ে ইউনিয়নভিত্তিক যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি গঠনের পর পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়নে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এসএ




Comments