Image description

গাজীপুরে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে কোনো শ্রমিক আহত বা নিহত হয়নি। এ ধরনের খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া গুজব বলে দাবি করেছে গাজীপুর জেলা পুলিশ।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গাজীপুর জেলা পুলিশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক, সফিপুর, পল্লীবিদ্যুৎ, চন্দ্রাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনো দুষ্কৃতকারী বা অশুভ চক্র যেন সহিংসতা, ভাঙচুর কিংবা রাষ্ট্রীয় ও জনগণের সম্পদের ক্ষতি করতে না পারে—সে লক্ষ্যে পুলিশ সংযম, ধৈর্য ও আইনানুগ পন্থায় দায়িত্ব পালন করছে।
 
শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবির বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এরই মধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থ হাসিল এবং পুলিশের বিরুদ্ধে সাধারণ আন্দোলনকারীদের খেপিয়ে তুলতে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক বা শিক্ষার্থী আহত-নিহত হওয়ার গুজব ছড়াচ্ছে। তবে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে পুলিশ গুলি চালায়নি এবং এতে কেউ হতাহতও হয়নি।

কোনো ধরনের গুজব ও অপপ্রচারে কান না দিতে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে গাজীপুর জেলা পুলিশ।

পাশাপাশি দুষ্কৃতকারীদের উসকানিতে সহিংসতা, জ্বালাও-পোড়াও ও ভাঙচুরের মতো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে নিজ নিজ কাজে মনোনিবেশ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, গাজীপুরে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পুলিশের গুলিতে এক স্কুল ছাত্রের ছবি পোস্ট করে সে আহত বা নিহত হয়েছে উল্লেখ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। পুলিশ শ্রমিকদের ওপর গুলি করেনি এবং কোনো ছাত্র গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। সাধারণ এবং সচেতন মানুষ যেন বিভ্রান্তিতে না পড়ে এ জন্যই গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিএইচ