বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হলেও দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। সোমবার রাজধানী বুয়েনস আইরেসের রাস্তায় লাখো সমর্থক নেমে এসে খেলোয়াড়দের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ঠান্ডা আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো ভক্ত বিমানবন্দরে জড়ো হন দলের সদস্যদের স্বাগত জানাতে। তবে অধিনায়ক লিওনেল মেসি দলের সঙ্গে দেশে ফেরেননি। এর আগেই আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) জানিয়েছিল, দলের কয়েকজন সদস্য এই ফ্লাইটে থাকবেন না।
স্থানীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারেও দেখা যায়, কোচ লিওনেল স্কালোনি ও দলের অন্যান্য সদস্য বিমান থেকে নামলেও মেসি সেখানে ছিলেন না। বিমানবন্দরে লাল গালিচা ও সামরিক ব্যান্ডের মাধ্যমে দলকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। পরে খোলা বাসে করে যাওয়ার সময় রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লাখো সমর্থকের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন খেলোয়াড়রা।
২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পর যেমন উৎসবমুখর পরিবেশে দলকে বরণ করা হয়েছিল, এবার তেমন বিজয় মিছিল না হলেও সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে কোনো ঘাটতি ছিল না। নাচ-গান, স্লোগান ও আতশবাজির মাধ্যমে তারা খেলোয়াড়দের প্রতি সম্মান জানান।
তবে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে অতিরিক্ত ফাউল ও কিছু খেলোয়াড়ের আচরণ নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছে আর্জেন্টিনা।
অন্যদিকে অনেক সমর্থকের কাছে দলের সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানো। ফকল্যান্ড (মালভিনাস) দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে ম্যাচটি ছিল রাজনৈতিকভাবেও আলোচনায়।
এ সময় কয়েকজন সমর্থক ‘ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার’ লেখা পতাকা ও ব্যানার বহন করেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর একই ধরনের একটি ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনা দলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাজ্য থেকেও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।




Comments