নেত্রকোনায় এক কলেজ শিক্ষার্থীর লাশ হাসপাতালে পাওয়া গেছে। ডিবি পুলিশ ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ ওই যুবকের পরিবার। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নেত্রকোনা শহরের মেছুয়াবাজারে পানসিগারেটের ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিনের ছেলে সাব্বির মিয়া (২১)। সাব্বির নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
পুলিশ জানায়, নেত্রকোনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মাদক সংক্রান্ত একটি অভিযানে মঙ্গলবার বিকেলে সদরের একটি এলাকায় যাচ্ছিল। এ সময় পুলিশকে দেখে দৌড় দিয়ে সদরের হরিখালি খালের কাছে দৌড়ে পালাতে গিয়ে কয়েকজন যুবক খালে পরে যায়। পরে গ্রামবাসী তাদের উদ্ধার করে একজনকে মূমূর্ষ্য অবস্থায় সড়কে ফেলে রাখে। পরে পুলিশ ওই যুবককে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহত সাব্বিরের বোন পূর্ণিমা আক্তার ও বন্ধু জিহাদ মিয়া বলেন, সে তো বাইরে গোসল করতে যায় না। খালে পরে গেলে তার মোবাইল ফোন পকেটে কেন? তার মূত্যু রহস্যজনক। তাকে ডিবি পুলিশ কেন এখানে ফেলে রেখে যাবে? আমরা এই ঘটনার তদন্ত করে বিচার চাই।
নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাজহারুল আমিন বলেন, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ওই যুবককে নিয়ে আসা হয়। তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক তার ইসিজি টেস্ট করানোর পর তার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া যায়। তার শরীরের কাপড়ছোপড় ভেজা ছিল! ময়না তদন্তের পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
নেত্রকোনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুল ইসলাম বলেন, ডিবি পুলিশের একটি দল আমতলা এলাকার ময়মনসিংহ-রুহী গ্রামে মাদকের একটি অভিযানে যাচ্ছিল। এসময় হরিখালি খালের পাড়ে পুলিশ দেখে কয়েকজন যুবক দৌড়ে পালাতে গিয়ে খালে পরে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সড়কে ফেলে রাখে। এসময় এক যুবককে মুমূর্ষ্য অবস্থায় ডিবি পুলিশ এনে হাসপাতালে রেখে আসে।




Comments