Image description

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক তুহিন মিয়া (২৫)-এর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজের দুই দিন পর বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পাশ্ববর্তী নবীগঞ্জ উপজেলার ফুলতলী এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও ঘটনার মূল কারণ ও জড়িতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহত তুহিন মিয়া বাহুবল উপজেলার ৩ নম্বর সাতকাপন ইউনিয়নের শংকরপুর (ইছবপুর) গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন সিএনজি অটোরিকশাচালক ছিলেন। তাঁর চালিত অটোরিকশাটির নিবন্ধন নম্বর হবিগঞ্জ-থ-১১-৪৩৪০।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার পর সিএনজি অটোরিকশাসহ হঠাৎ নিখোঁজ হন তুহিন। দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে বুধবার সকাল ১০টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলার ফুলতলী এলাকায় এক যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি নিখোঁজ তুহিন মিয়ার বলে শনাক্ত করেন।

অটোরিকশাচালক তুহিনের মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে শংকরপুর গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় গভীর শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে আসে। নিহতের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে এর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে নিহতের অটোরিকশাটিরও এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান না পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাঁকে হত্যা করে নির্জন স্থানে মরদেহ ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।

এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, অপরাধীদের পরিচয় এবং নিখোঁজ অটোরিকশার অবস্থান বের হয়ে আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

ডিআর