Image description

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দম্পতির একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) আইফোন ছিনতাইয়ের উদ্দেশেই পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার দিন মূল অভিযুক্ত তুহিন মেসেজ পাঠিয়ে অপ্রতিমকে বাসা থেকে ডেকে নেয়। এরপর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী একটি নির্জন স্থানে নিয়ে বাঁশ দিয়ে তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে ফেলে রেখে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও গুরুতর জখমের কারণে সেখানেই অপ্রতিমের মৃত্যু হয়।
এসপি আরও জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রথমে চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য তুহিনকে আটক করা হয়। তুহিনের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও মোটরসাইকেল চুরিসহ এলাকায় নানা অপরাধে জড়িত থাকার রেকর্ড রয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মো. তুহিন, সিয়াম, শাহরিয়া আনাস ও মো. ফাহিম। তাঁদের সবার বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। এছাড়া ঘটনায় ছিনতাই হওয়া অপ্রতিমের ব্যবহৃত আইফোনটি মূল অভিযুক্ত তুহিনের হেফাজত থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডে আরও কারা জড়িত—এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, "তদন্তের তথ্যমতে তুহিন, সিয়াম ও কামরুল মূলত বাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করে অপ্রতিমকে হত্যা করেছে। ঘটনায় ফাহাদ নামের আরেক তরুণের সম্পৃক্ততার বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।"
এসএ