Image description

নীলফামারীর জলঢাকায় মারামারির ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত মকবুল হোসেনের লাশ নিয়ে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন স্থানীয় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। হত্যা মামলা দায়ের, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং পাল্টা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার জিরো পয়েন্ট ট্রাফিক মোড়ে লাশের গাড়ি রেখেই তারা এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।

অবরোধের কারণে তিন দিকের প্রধান সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরবর্তীতে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলমের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে এলাকাবাসী অবরোধ তুলে নেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব বালাগ্রাম আদর্শ পাড়ার মৃত বনিজ উদ্দিনের ছেলে মকবুল হোসেনের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী রসিদুল গংদের শিশুদের খেলাধুলা ও ঝগড়াকে কেন্দ্র করে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। মারামারির ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে গত ১৯ সেপ্টেম্বর উভয় পক্ষই জলঢাকা থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে।

সংঘর্ষ চলাকালে মকবুল হোসেন মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত সোমবার রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মঙ্গলবার বিকেলে মকবুলের মরদেহ পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী আসামিদের দায়ের করা পাল্টা মামলা প্রত্যাহার ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে লাশের গাড়ি নিয়ে ট্রাফিক মোড়ে অবস্থান নেন।

খবর পেয়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে এলাকাবাসী তাদের অবরোধ তুলে নেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘মকবুলদের আগের করা মামলাটিতে ৩০২ ধারা যুক্ত হবে। ওই মামলায় মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে।’

ডিআর