Image description

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্যের ডাকা জরুরি সভায় অংশ নেননি কম্পট্রোলার দপ্তরের কর্মকর্তারা। তবে এর দুই দিন পরই শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতার ‘স্যালারি শিট’ পাঠিয়েছে একই দপ্তর।

জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারির লক্ষ্যে জরুরি সভা আহ্বান করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। কম্পট্রোলার দপ্তরের ১১ কর্মকর্তাকে ই-মেইলের মাধ্যমে সভায় যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আন্দোলনের কারণে দপ্তরের কোনো কর্মকর্তা সভায় অংশ নেননি। উপাচার্যের ই-মেইলেরও কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত না করেই কম্পট্রোলার দপ্তর থেকে ই-মেইলের মাধ্যমে বেতন-ভাতার ‘স্যালারি শিট’ পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয় ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। উপাচার্যের ডাকা সভায় অংশ না নিয়েও বেতন-ভাতাসংক্রান্ত কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হলো, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য, চুয়েটে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলন চলছে। ওই দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধ্যাপক সায়েমকে সরিয়ে কুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেয়। এরপর শিক্ষার্থীদের শাটডাউন কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে শিক্ষক সমিতিও কর্মবিরতিতে যায়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।

এসএ