৮০ শতাংশ শ্রমিকই মাসের শুরুতে মজুরি পান না। এছাড়া, কম বেতন ও সময়মতো পদন্নোতি না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এসব কারণেই শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে বলে দাবি বাংলাদেশের সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি)।
রোববার ‘শ্রমিকের জীবনমান, কর্মপরিবেশ ও অধিকার সংক্রান্ত সংস্কার উদ্যোগ: অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের জন্য প্রস্তাবনা’ বিষয়ক আলোচনা সভায় এসব তথ্য দেয় সংস্থাটি।
এসময় শ্রম খাতের জন্য জাতীয় একটি অভিন্ন মজুরি কাঠামো প্রণয়নের সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া আলোচকরা, ২০২৫ সালকে শ্রম সংস্কার বছর ঘোষণার তাগিদ দেন।
গত কয়েক মাসে সাভার, মিরপুর, গাজীপুর ও টঙ্গীসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনা দেখা গেছে। এতে বাধাগ্রস্ত হয় উৎপাদন।
সিপিডির বেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলছেন, দেশের ৮০ শতাংশ শ্রমিকের অভিযোগ, শিল্প কারখানায় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ২-৩ সপ্তাহ দেরিতে দেয়া হয় মজুরি। বছরের পর বছর কাজ করেও মেলে না পদোন্নতি। অনেক খাতে মজুরিও পর্যাপ্ত নয়।
অসন্তোষের কারণ হিসেবে উঠে আসে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের সঙ্গে শ্রমিকদের দর কষাকষির ঘাটতির বিষয়টিও।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের ৮৫ ভাগ শ্রমিকের আইনি সুরক্ষা নেই। শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নয়ন ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠাও জরুরি।
ইপিজেড এবং ইপিজেডের বাইরে দুই ধরনের আইন চালু থাকায় শ্রমিকদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে বলেও মনে করেন বক্তারা।
মানবকণ্ঠ/এসআরএস




Comments