Image description

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা খাদ্য গুদাম ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করা এবং অফিস চলাকালীন কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (১ জুন) দুপুরে সরেজমিনে কার্যালয় দুটিতে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার দুপুর ১২টা বেজে গেলেও উপজেলা খাদ্য গুদাম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। এ সময় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ও কৃষকরা কার্যালয়ে কোনো কর্মকর্তার দেখা পাননি। দীর্ঘক্ষণ পর দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মো. নবাব সপরিবারে খাদ্য গুদাম এলাকায় প্রবেশ করেন।

অফিসে দেরিতে আসা এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার বিষয়ে জানতে চাইলে মো. নবাব বলেন, "আমরা শুধু বিশেষ দিবসে পতাকা উত্তোলন করি। জেলা অফিসে কাজ থাকায় আসতে দেরি হয়েছে।" অথচ সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রতিটি স্থায়ী সরকারি কার্যালয়ে কর্মদিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এদিকে, অভ্যন্তরীণ ধান সংগ্রহ অভিযানে লটারিতে বিজয়ী কৃষকরা অভিযোগ করেন, কতটুকু ধান তাদের কাছ থেকে কেনা হবে—সেই তথ্য জানতে তারা গুদামে এসে কাউকে পাননি। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে অনেককেই ফিরে যেতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. মামুনার রশিদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান বলেন, "কেন যথাসময়ে কর্মকর্তারা অফিসে উপস্থিত নেই এবং জাতীয় পতাকা কেন উত্তোলন করা হয়নি, সে বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি। বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

সরকারি প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

মানবকণ্ঠ/ডিআর