Image description

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর ইউনিয়নের বালখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ভয়াবহ নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় বিদ্যালয়টির অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। দ্রুত ইউনিব্লক দিয়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় প্রতিষ্ঠানটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও শিক্ষকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের পশ্চিম অংশের রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরেই ভাঙছে। চলতি বর্ষায় নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের মাত্রা আরও বেড়েছে। রাস্তার পাড় ধসে বিদ্যালয়ের সীমানার দিকে ভাঙন এগিয়ে আসায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে ভাঙন চললেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষায় বিদ্যালয়টি রক্ষার দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। দ্রুত ইউনিব্লক দিয়ে পশ্চিম পাশের রাস্তাটি সুরক্ষিত করা গেলে বিদ্যালয়টি রক্ষা করা সম্ভব।

বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক শাহাদৎ হোসেন জানান, কয়েক বছর আগেও বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের রাস্তাটি প্রায় ২৫ ফুটের মতো প্রশস্ত ছিল। প্রতিবছর বর্ষায় ভাঙনের কারণে রাস্তাটি ক্রমশ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বিদ্যালয়ের মূল ভবন হুমকির মুখে পড়বে।

এ বিষয়ে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, “বিদ্যালয়টি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। স্থায়ী সমাধানের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

মানবকণ্ঠ/ডিআর