গ্যাস সংকটে মাধবপুরে ৫ কিলোমিটার যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
তীব্র গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নোয়াপাড়া এলাকায় আল-আমিন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস নিতে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানবাহনের সারি। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত যানবাহনের এ সারি প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকেই গ্যাস নিতে আল-আমিন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে ফিলিং স্টেশন ছাড়িয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নোয়াপাড়া এলাকায় কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস না পাওয়ায় চালক ও যাত্রীদের মধ্যে চরম ভোগান্তি দেখা দেয়।
ফিলিং স্টেশনের মালিক মো. বাবুল চৌধুরী বলেন, ‘আমরা জালালাবাদ গ্যাসের লাইনের আওতায় থাকায় কিছুটা গ্যাস পাচ্ছি। তবে যারা তিতাস গ্যাসের আওতায় রয়েছে, তারা গ্যাস পাচ্ছে না। ফলে আমাদের স্টেশনেও গ্যাস নিতে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে।’
তিতাস গ্যাসের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে গ্যাস সরবরাহে তীব্র সংকট রয়েছে। সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
একজন সিএনজি অটোরিকশাচালক বলেন, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। দুপুর হয়ে গেলেও গ্যাস নিতে পারিনি। এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হলে আমাদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যায়।’
এদিকে দীর্ঘ যানবাহনের সারির কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে নোয়াপাড়া এলাকায় যেকোনো সময় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
চালক ও যাত্রীরা দ্রুত গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মহাসড়কে দীর্ঘ যানবাহনের সারি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এসএ




Comments