Image description

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিয়ের মাত্র একদিন পর আবু সালেম প্রধান (২৯) নামে এক স্কুলশিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত আবু সালেম উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের মধ্য মিরুপাড়া গ্রামের ইসাহাক আলী প্রধানের ছেলে। তিনি কাটাখালী বালুয়াহাটে অবস্থিত ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২৭ আগস্ট) পারিবারিকভাবে উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের বাগদা মালেকাবাদ গ্রামের আয়েজ উদ্দিন প্রধানের মেয়ে শিমুলী আক্তার (২৪)-এর সঙ্গে আবু সালেমের বিয়ে হয়।

বিয়ের পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে বালুয়া বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আবু সালেম। কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে গেলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় নববধূ ও পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) জুমার নামাজের পর বিকেলে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সংলগ্ন গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালী ব্রিজের দক্ষিণ পাশে হাওয়াখানা এলাকায় একটি কলাবাগানের ভেতর ইউক্যালিপটাস গাছের সঙ্গে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সেখানে ভিড় করেন আশপাশের লোকজন।

পরে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহতের পরিবারের দাবি, আবু সালেমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে তাঁর মরদেহ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক শনিবার (২৯ আগস্ট) মুঠোফোনে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে।

তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এসএ