Image description

অদ্ভুত ও কৌতূহলজাগানিয়া বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য বৃহস্পতিবার ১০টি গবেষক দলকে ইগ নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ভ্রমণসংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে এই ব্যঙ্গাত্মক বিজ্ঞান পুরস্কার প্রদান করা হলো।

ককুরোচের দুধ নিয়ে গবেষণা এবং অন্তর্বাস ব্যবহার করে মাটির স্বাস্থ্য বিশ্লেষণ করা গবেষকরাও এবারের পুরস্কার পেয়েছেন। অস্বাভাবিক ও সৃজনশীল বৈজ্ঞানিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

‘অ্যানালস অব ইমপ্রবেবল রিসার্চ’ নামের একটি ডিজিটাল সাময়িকী এই পুরস্কারের আয়োজন করে। ৩৫ বছর যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজনের পর অংশগ্রহণকারীদের ভিসা পাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগের কারণে অনুষ্ঠানটি এবার ইউরোপে সরিয়ে নেওয়া হয়।

সুইজারল্যান্ডের জুরিখের একটি সম্মেলন কেন্দ্রে বিজয়ী গবেষক দলগুলোর হাতে বিশেষ ধরনের ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। ট্রফিটি দেখতে মাশরুম ও মানুষের পায়ের সংমিশ্রণের মতো।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মাতিলদা ব্রিন্ডল ও স্টুয়ার্ট ওয়েস্ট এবং ফ্লোরিডা ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ক্যাথরিন এফ ট্যালবট। তারা চুম্বনের বিবর্তনীয় ইতিহাস পুনর্গঠন নিয়ে গবেষণা করেছেন।

এ ছাড়া প্রয়াত চিকিৎসক তোকুজি উননো নাক ঝাড়ার বৈজ্ঞানিক দিক নিয়ে গবেষণার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন।

আরেকটি গবেষক দল মাটিতে বসবাসকারী ক্ষুদ্র প্রাণীরা কীভাবে অন্তর্বাস পচনে ভূমিকা রাখে, তা জানতে ২৫টিরও বেশি দেশে ১ হাজার জোড়া অন্তর্বাস মাটির নিচে পুঁতে গবেষণা চালায়।

অনুষ্ঠানের ঐতিহ্য অনুযায়ী, দর্শকরা কাগজের বিমান তৈরি করে মঞ্চের দিকে ছুড়ে দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।

আগামী বছরগুলোতে জুরিখের পাশাপাশি ইউরোপের অন্যান্য দেশেও পালাক্রমে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৭ সালের অনুষ্ঠান হবে বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্প শহরে।

এর আগে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ও বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইগ নোবেল পুরস্কার অনুষ্ঠান হয়েছে। তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠানটি ফিরিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।

সূত্র: এপি (অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস)

এনএ