Image description

লাল বলের ফরম্যাট হোক বা সীমিত ওভার, দীর্ঘদিন ধরে বল হাতে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে  চলেছেন মোহাম্মদ শামি। এরপরও প্রায় দেড় বছর ধরে ভারতের জাতীয় দলে ফেরা হয়নি এই পেসারের। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে কঠির পরিশ্রমের মধ্যেও অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী কমিটি তার দিকে ফিরে তাকায়নি।

এমন পরিস্থিতিতে মুখে খেলেছেন তিনি। তাকে উপেক্ষা করার জন্য তিনি বিসিসিআইয়ের নির্বাচকদের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ৩৬ বছর বয়সে একজন ফাস্ট বোলার হিসেবে কঠোর পরিশ্রম করাটা বেশ কঠিন। তবে কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি তিনি নিজের ক্রিকেট খেলাটা বেশ উপভোগ করছেন।

শামি বলেন, রিভার্স সুইংয়ের ক্ষেত্রে বলের রক্ষণাবেক্ষণ বা যত্ন নেওয়াটা খুব জরুরি। এখন তো আর লালা ব্যবহার করা যায় না, তাই বল চকচকে করার জন্য কেবল ঘামের ওপরই নির্ভর করতে হয়। সিমের অবস্থান এবং পিচে বলটি জোরে আছড়ে ফেলা, এসব বিষয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রঞ্জি ট্রফি ও ঘরোয়া ম্যাচগুলোতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স সত্ত্বেও বিসিসিআই এর নির্বাচকরা তাকে উপেক্ষা করেছেন। চলতি মৌসুম এবং বিগত কয়েকটি মৌসুমে তার পারফরম্যান্সের বিচারে, টেস্ট ক্রিকেটে পুরনো বলে সুইং করানোর দক্ষতার কারণে তিনি এখনও ভারতের সেরা বোলার।

দলে ফেরার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তার হাতে নেই এবং তিনি এ নিয়ে ভাবাও ছেড়ে দিয়েছেন। বরং তিনি ভালো খেলে যাওয়া এবং ক্রিকেট উপভোগ করার ওপরই মনোযোগ দিচ্ছেন। ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, আপনারা কি খেলা দেখেননি? আমাকে কি দেখে মনে হয়েছে যে আমি ফিট নই?

এই পেসার বলেন, আমি অনেকবারই এ কথা বলেছি। যেসব বিষয় আমার নিয়ন্ত্রণে নেই, সেগুলো নিয়ে ভাবা আমি ছেড়ে দিয়েছি। আমি আমার ক্রিকেট উপভোগ করছি। কঠোর পরিশ্রম করছি। আর আমি সবসময় দলের জার্সির (ব্যাজের) সম্মান রক্ষার্থেই খেলি।
এমআর