অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে জয় পেল ব্রাজিল
রাফিনিয়া-ভিনিসিউসের গোল
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে ১-১ সমতায় ড্র করে মান বাঁচিয়েছিল ব্রাজিল। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রিসবেনের মাটিতে এক পর্যায়ে ২-১ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। টানটান উত্তেজনার রোমাঞ্চকর এ লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে মাঠ ছেড়েছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
ব্রিসবেনে ম্যাচের শুরুতেই ৩ মিনিটের মাথায় গ্যাব্রিযেল বোনতেম্পোর অ্যাসিস্টে ডান পায়ের বাঁকানো নিখুঁত শটে ব্রাজিলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন ভ্যান্ডারসন। এরপর রাফিনিয়া, দানিলো সান্তোস ও রায়ানরা একের পর এক সুযোগ মিস করলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা ব্রাজিলের হাতছাড়া হয়। সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২৮ মিনিটে সকারু ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো কিরকাটি গোল করে অস্ট্রেলিয়াকে ১-১ সমতায় ফেরান। এর মাত্র ৫ মিনিট পর ৩৩ মিনিটে কনর মেটকালফে গোল করলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে চমক দেখায় অস্ট্রেলিয়া।
তবে ব্যাকফুটে চলে যাওয়া ব্রাজিল সমতায় ফিরতে বেশি সময় নেয়নি। প্রথমার্ধের ৪-৫ মিনিটে অর্জিত পেনাল্টি থেকে ঠাণ্ডা মাথার শটে গোল করে দলকে ২-২ সমতায় ফেরান বার্সেলোনা তারকা রাফিনিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধে জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আনচেলত্তির শিষ্যরা। খেলার নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে একের পর এক আক্রমণ সাজায় সেলেসাওরা। ৬৯ মিনিটে তরুণ তারকা এনদ্রিকের চমৎকার বাড়ানো বল ধরে বাঁ পায়ের দারুণ শটে গোল করে ব্রাজিলকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন ব্রুনো গিমারেস। এরপর ৮০ মিনিটে পুনরায় প্রাপ্ত পেনাল্টি থেকে বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান ৪-২ করেন ভিনিসিউস জুনিয়র। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সকারুরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের রক্ষণে তা প্রতিহত হয়।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে এ পর্যন্ত ১০টি মুখোমুখি লড়াইয়ে ব্রাজিলের এটি ৭ম জয়। বিপরীতে ড্র হয়েছে ২টি ম্যাচ এবং ২০০১ সালে ফিফা কনফেডারেশন কাপে মাত্র ১টিতে জয় পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।
ডিআর




Comments