Image description

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে জহির ফকির (যুবদল নেতা) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে উপজেলার চরহোগলা গ্রামে নিজ ফার্মেসি থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি। তিনি ওই ইউনিয়নের খালিয়ারচর গ্রামের আব্দুল রহমান মাতব্বরের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল জহির ফকিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ভাগনে ইসমাইল ও বিল্লাল হোসেনের অভিযোগ, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে মোবারক হোসেনের সঙ্গে জহির ফকিরের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর আগেও মোবারক হোসেন ও তাঁর লোকজন কয়েকবার জহিরের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে তাঁরা দাবি করেন।

তাঁদের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে আড়াইহাজার থেকে আসা দুর্বৃত্তরা বুধবার রাতে নিজ ফার্মেসি থেকে বাড়ি ফেরার পথে জহির ফকিরের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মোবারক হোসেনের বক্তব্য জানা যায়নি।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো যাবে।

এসএ