Image description

নাটোরের বড়াইগ্রামে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৪) অপহরণের পর ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে। নিখোঁজের আট দিন পার হলেও মেয়েটি উদ্ধার না হওয়ায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্বজনরা। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিখোঁজ কিশোরী স্থানীয় মৌখাড়া ইসলামিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গত ৩০ জুলাই উপজেলার মৌখাড়া এলাকায় অপহরণের এই ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগ, গুরুদাসপুর উপজেলার বৃ-চাপিলা এলাকার মতিউর রহমান মিঠু (২৫) দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়েকে বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত করাসহ প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিষয়টি মিঠুর পরিবারকে জানিয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি। গত ৩০ জুলাই সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে মিঠু তার বাবা সহিদুল ইসলাম (৪৮), মা মিনা বেগম (৪২) ও মামা উজ্জ্বল হোসেনের (৩৫) সহায়তায় মেয়েটিকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ঘটনার দিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। গত রোববার অপহৃতার দাদা অভিযুক্তদের বাড়িতে গেলে উজ্জ্বল হোসেন নাতনিকে ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। এরপরই বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

তবে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মিঠুর মামা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, “আমার ভাগনেকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি আমরা মৌখিকভাবে থানাকে জানিয়েছি। তারা আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন, তবে কোনো টাকা দাবি করা হয়নি।”

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “এই ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।”

মানবকণ্ঠ/ডিআর