জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় মুসরিকা আক্তার মিতু (১৮) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের চৌতাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মিতু ওই গ্রামের সাঞ্জাপাড়ার বাসিন্দা মাসুদ রানার মেয়ে। তিনি মামুদপুর উচ্চবিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোয়ায়েব ইসলাম শুভর (১৮) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। পরে পারিবারিক সম্মতিতে প্রায় এক বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। শুভ চৌতাপাড়া গ্রামের শাহিনুর ইসলামের ছেলে।
মিতুর শ্বশুর শাহিনুর ইসলাম জানান, বাড়ির পাশের একটি পুকুরে সেচের কাজ চলছিল। রাত তিনটার দিকে শুভ ও মিতু সেখানে যান। তাঁদের মধ্যে কোনো কথা-কাটাকাটি হয়েছিল কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। পরে মিতু একাই বাড়িতে ফিরে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে মিতুর ছোট বোনের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাঁকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে সকাল আটটার দিকে ক্ষেতলাল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল করিমের নেতৃত্বে পুলিশ মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এসএ




Comments