দীর্ঘ ৯ বছর পর কুয়াকাটায় বসছে দু দিনব্যাপী বিচ কার্নিভাল
একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপার সৌন্দর্য উপভোগের তীর্থভূমি কুয়াকাটায় পর্যটকদের আকর্ষণ বৃদ্ধি এবং অঞ্চলটিকে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী ‘কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬’। দীর্ঘ বিরতির পর বর্ণাঢ্য এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে কুয়াকাটার পর্যটন হলিডে হোমসের কনফারেন্স হলে ‘কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬’ উপলক্ষে এ প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে সর্বশেষে ২০১৭ সালে কুয়াকাটায় বীচ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ বি এম মোশাররফ হোসেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক মো. গনী উল আজম।
এ ছাড়া সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, ট্যুরিস্ট পুলিশের বরিশাল বিভাগীয় ডিআইজি অনির্বান চাকমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেকসহ পর্যটন খাতের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় অংশীজনরা।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে তুলে ধরা এবং পর্যটকদের ভ্রমণকে আরও আনন্দময় করে তোলাই এই কার্নিভালের মূল লক্ষ্য। উৎসবকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটা সৈকত ও তার আশপাশের এলাকায় বিশেষ সাজসজ্জা, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং সার্বিক প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
দুই দিনব্যাপী এই পর্যটন কার্নিভালে পর্যটকদের জন্য থাকছে নানা বৈচিত্র্যময় আয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে বিচ ক্যাম্পিং, বিচ ফুটবল খেলা, কুইজ প্রতিযোগিতা, বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিচ উৎসব, ঐতিহ্যবাহী পুথি পাঠ, এবং মূল ইভেন্টের আগের প্রি-ইভেন্ট কার্যক্রম। এ ছাড়া স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী পণ্য ও ঐতিহ্যবাহী খাবার প্রদর্শনসহ পর্যটনবান্ধব নানা কর্মসূচিও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ডিআর




Comments