প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে খুলনার পথে পথে শিশু-কিশোর
নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল
সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো খুলনায় সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁকে একনজর দেখার প্রত্যাশায় খুলনার পথে পথে নেমেছে শিশু-কিশোর, দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে নগরজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকেই রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা থেকে রূপসা সেতু, বাইপাস সড়ক, জিরো পয়েন্ট, গল্লামারী, শেরেবাংলা রোড হয়ে পাওয়ার হাউস মোড় এবং জেলা স্টেডিয়াম পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
পথে পথে মানুষের উপস্থিতি, স্লোগান ও নানা আয়োজনকে কেন্দ্র করে খুলনাজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করছেন প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য। কেউ এসেছেন পরিবার-পরিজন নিয়ে, আবার কেউ এসেছেন দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে। তাঁদের প্রত্যাশা, কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে দেখার পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য শোনার সুযোগ পাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে খুলনা মহানগরী ও জেলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
খুলনার রূপসা উপজেলার টিএসবি ইউনিয়নের বাসিন্দা আরিফুর রহমান বলেন, ‘জীবনে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি দেখার সুযোগ হবে। তাঁকে একনজর দেখার আশায় সকাল থেকেই এখানে অপেক্ষা করছি।’
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবির পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, কুদির বটতলা থেকে জেলা স্টেডিয়াম পর্যন্ত পুরো পথজুড়ে খুলনাবাসীর পুষ্পবৃষ্টি ও অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণীয় অভ্যর্থনা জানাবে। শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও নগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফিকুল আলম মনা বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে ভালোবাসার এই খুলনা অঞ্চল চরম অবহেলার শিকার হয়েছে। প্রিয় নেতার এই আগমন কেবল একটি প্রশাসনিক সফর নয়, বরং খুলনার মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আমরা আশা করছি, খুলনার বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু হবে এবং যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে খুলনাবাসীর মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নে সরকারের কার্যকর উদ্যোগের আশায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এসএ




Comments