Image description

ময়মনসিংহের নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার সদর দপ্তর ১৪৩ নম্বর নয়াবাড়ি মৌজায় স্থাপনের ইতিবাচক আশ্বাসে আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় আট ইউনিয়নের বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের প্রাচীন জনপদ কান্দিপাড়া বাজার সংলগ্ন নয়াবাড়ি মৌজা পরিদর্শনে গিয়ে এলাকার প্রশাসনিক সম্ভাব্যতা যাচাই করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির।

পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার প্রস্তাবিত স্থানের ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক অবকাঠামোসহ সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইউসুফ এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমির সালমান রনিসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

বিভাগীয় কমিশনারের আগমনকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই নয়াবাড়ি মাঠে জড়ো হন দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের আটটি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ। 'গেজেট হইছে যেইখানে, উপজেলা হবে সেইখানে' লেখা ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে স্থানীয়রা তাদের দীর্ঘদিনের দাবি তুলে ধরেন।

স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির বলেন, "আপনাদের দাবি ও এলাকার বাস্তবতা আমি নিজ চোখে দেখেছি। সরকারি গেজেট ও জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপনের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।"

এই ঘোষণার পরপরই আনন্দ মিছিলে মেতে ওঠে উপস্থিত জনতা। স্থানীয় প্রবীণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জানান, ১৪৩ নম্বর জেএলভুক্ত নয়াবাড়ি মৌজা দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের ভৌগোলিক প্রাণকেন্দ্র। এখানে সদর দপ্তর স্থাপিত হলে আটটি ইউনিয়নের প্রায় ৩ লক্ষাধিক মানুষ সহজে ও সমান দূরত্বে প্রশাসনিক সেবা পাবেন।

পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. ইসহাক, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ. কে. এম আনছারউদ্দিন, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং বিএনপি নেতা আব্দুস ছালাম বেপারীসহ এলাকার বিভিন্ন পেশাজীবী ও সর্বস্তরের জনগণ।
মানবকণ্ঠ/এমআর