Image description

জনগণের সব সমস্যা একসঙ্গে সমাধান করা সম্ভব না হলেও পরিকল্পিতভাবে ও পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করে পবা-মোহনপুরের সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা পরিষদের পুরাতন হলরুম চত্বরে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবিকা উন্নয়নের লক্ষ্যে অটোরিকশা, ট্রাইসাইকেল ও মিলিং মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন বলেন, “নির্বাচনী এলাকার মানুষের নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে। রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে প্রতিটি প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ঘোষিত ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ ছিল একটি কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা। জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটিয়ে বর্তমান সরকার সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। পবা-মোহনপুরের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আধুনিক ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠান শেষে সংসদ সদস্য অতিদরিদ্র উপকারভোগীদের মাঝে অটোরিকশা, ট্রাইসাইকেল ও মিলিং মেশিন হস্তান্তর করেন। অটোরিকশা পেয়ে উপকারভোগী সারোয়ার জামান হাতেম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এই সহায়তা আমার পরিবারের জন্য নতুন আশার দ্বার খুলে দিয়েছে। এখন আমি নিয়মিত আয় করে সন্তানদের লেখাপড়া ও পরিবারের ব্যয় মেটাতে পারব।”

মোহনপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আখতার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলতে সরকারের এ ধরনের কর্মসূচি অত্যন্ত কার্যকর। এটি শুধু একটি বাহন বা যন্ত্র নয়, বরং একটি পরিবারের অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর বড় অবলম্বন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানা। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামিমুল ইসলাম মুন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আর রশীদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজিম উদ্দিন সরকার, বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু রহমান ও আব্দুল কাদেরসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মানবকণ্ঠ/ডিআর