Image description

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রশুনিয়া গ্রামের ‘শাহজালাল পান কবিরাজ’-এর বিরুদ্ধে জিনের ভয় দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা ও অভিযোগ থাকার কথাও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন শাহজালাল।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তার কাছে গেলে বাড়িতে শত্রুতাবশত তাবিজ-পুতুল পুঁতে রাখা হয়েছে বলে ভয় দেখানো হয়। পরে জিনের মাধ্যমে সেগুলো তুলে আনার কথা বলে তাদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা নেওয়া হয়।

শ্রীনগরের মরিয়ম বেগমের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নেওয়ার পর তিনি প্রতিবাদ করায় প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া টঙ্গীবাড়ীর এক নারীর কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে ক্ষুব্ধ স্বজনরা তার বাড়িতে গিয়ে হেনস্তার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, কেরানীগঞ্জের সাংবাদিক সোহেলের কাছ থেকে ৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, ২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর কোরআন অবমাননার অভিযোগে এলাকাবাসী তার আস্তানা ভেঙে দেয়। পরে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহযোগিতায় তিনি আবারও সেখানে কার্যক্রম শুরু করেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

অভিযোগের বিষয়ে শাহজালাল কবিরাজ দৈনিক মানবকণ্ঠকে বলেন, তিনি কবিরাজি করে কোনো টাকা নেন না। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো বানোয়াট। কুফরি কালাম বা কালোজাদুর সঙ্গেও তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

সিরাজদিখান থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, তার বিরুদ্ধে আগে মামলা থাকলেও বর্তমানে কোনো মামলা নেই। নতুন কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএ