Image description

দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদী, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী বরাবর পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, পরিবেশ ও দেশের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। নাফ নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজারে পৌঁছে পানি সম্পদ মন্ত্রী উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার নাফ নদী বরাবর পোল্ডারসমূহের পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরে তিনি টেকনাফ উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নদী তীরের বাঁধ, পোল্ডার ও পানি ব্যবস্থাপনা অবকাঠামোর উন্নয়ন স্থানীয় মানুষের কৃষি ও বসতভিটা রক্ষার পাশাপাশি সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন, নদীতীর ভাঙন প্রতিরোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন এবং ভূমি পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এর আগে পানি সম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সরকারের ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির আওতায় চলমান প্রকল্পের পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে।

টেকনাফের নাফ নদী ও সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন, পোল্ডার ও বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি, জলাবদ্ধতা এবং কৃষিজমি রক্ষার নানা সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মতবিনিময় সভায় প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা নদীভাঙন, বাঁধ সংস্কার, পানি নিষ্কাশন ও কৃষিজমি রক্ষাসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। মন্ত্রী এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

পরে পানি সম্পদ মন্ত্রী সড়কপথে চট্টগ্রামের উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করেন।

এসএ