Image description

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত এক আওয়ামী লীগ ওয়ার্ড সভাপতিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনতে সুপারিশ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে জৈনসার ইউনিয়ন বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন গোরাপির বিরুদ্ধে।

গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামী লীগ নেতার নাম আবুল হোসেন। তিনি জৈনসার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। অন্যদিকে অভিযুক্ত বিএনপি নেতার নাম দেলোয়ার হোসেন গোরাপি, যিনি জৈনসার ইউনিয়ন বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের খিলগাঁও এলাকা থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে সিরাজদিখান থানা পুলিশ। এর পর দিন শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে আটক ওই আওয়ামী লীগ নেতাকে থানা থেকে মুক্ত করতে তদবির নিয়ে হাজির হন বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন গোরাপি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযুক্ত বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন গোরাপির সাথে জৈনসার ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম দুদুর বেয়াইয়ের আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত আবুল হোসেনও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম দুদুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। মূলত এই রাজনৈতিক সখ্য ও পারিবারিক সম্পর্কের কারণেই আবুল হোসেনকে পুলিশি হেফাজত থেকে ছাড়াতে দেলোয়ার থানায় গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন গোরাপি দাবি করেন, “আমি সকালে আমার একটি ব্যক্তিগত কাজে থানায় গিয়েছিলাম। আমি কারো জন্য কোনো সুপারিশ করতে সেখানে যাইনি।”

ঘটনাটি সম্পর্কে জৈনসার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল শেখ বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি আগে অবগত ছিলাম না। আপনাদের মাধ্যমেই বিষয়টি প্রথম জানতে পারলাম। এ বিষয়ের সত্যতা পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দদের সাথে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ডিআর