Image description

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর সংঘর্ষ এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল শেষে রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার ও দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাজনিত তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ফুটবলার ভবিষ্যতে, এমনকি ২০৩০ বিশ্বকাপেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনা চলছে। তবে এখনো কোনো শাস্তির ঘোষণা দেয়নি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ফিফার শৃঙ্খলা কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সংঘর্ষের ঘটনায় আর্জেন্টিনার নাহুয়েল মোলিনা, লিয়ান্দ্রো পারেদেস এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে ‘আক্রমণাত্মক আচরণ’-এর অভিযোগে শাস্তিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এ ছাড়া নাহুয়েল মোলিনা, থিয়াগো আলমাদা এবং স্পেনের গাভির বিরুদ্ধে ‘অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ’-এর অভিযোগও তদন্তাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে জয়ের পর ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস’ (ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার) লেখা ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধেও পৃথক শৃঙ্খলাজনিত কার্যক্রম শুরু করেছে ফিফা।

ফিফার মতে, রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শন, দলীয় অসদাচরণ, বৈষম্যমূলক আচরণ, নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন এবং দর্শকদের কিছু আচরণ সংস্থাটির শৃঙ্খলা বিধির একাধিক ধারা লঙ্ঘনের আওতায় পড়তে পারে।

আন্তর্জাতিক কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ব্যানার হাতে দেখা যাওয়া ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এবং জিওভানি লো সেলসোও তদন্তের আওতায় আসতে পারেন।

ফিফা জানিয়েছে, অভিযুক্ত সবাইকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে। তদন্ত শেষে শৃঙ্খলা কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। শাস্তি হিসেবে জরিমানা, নির্দিষ্টসংখ্যক ম্যাচে নিষেধাজ্ঞা বা অন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।