Image description

কক্সবাজারের দৃষ্টিনন্দন ও আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় (লিজ) হস্তান্তরের সক্ষমতা যাচাইয়ে দুই দিনের সরেজমিন সফরে কক্সবাজার পৌঁছেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিবৃন্দ। সফরকালে চকরিয়াসহ আশপাশের স্টেশনগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার এবং ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যোগাযোগ আরও সহজ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে চকরিয়ার উত্তর হারবাং এলাকায় এক ব্রিফিংকালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, কক্সবাজারসহ এই রুটের গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশনগুলো লিজ দেওয়ার সম্ভাবনা ও সার্বিক সক্ষমতা মূল্যায়নে এ পরিদর্শন চালানো হচ্ছে।

চকরিয়া ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের ঢাকায় যাতায়াত আরও দ্রুত ও সুবিধাজনক করতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’-এর আরও একজোড়া ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়। এর ফলে চকরিয়া অঞ্চলের যাত্রীরা সহজেই চট্টগ্রাম পৌঁছে ঢাকাগামী সংযোগকারী ট্রেনের সুবিধা পাবেন। দোহাজারী-কক্সবাজার ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ নির্মাণের সময় বন বিভাগের প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার গাছ অপসারণ করা হয়েছিল। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতোমধ্যে রোপণ করা গাছগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা এবং নতুন করে বনায়নের স্থান নির্ধারণে জোর দেওয়া হচ্ছে।

চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও হারবাং স্টেশনে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) টহল বাড়ানোর দাবির সাথে একমত পোষণ করে রেল কর্তৃপক্ষ জানান, বিষয়গুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া বর্ষায় রেলপথের কারণে কোনো এলাকায় পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে স্থানীয়দের আবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত কালভার্ট বা ড্রেনেজ ব্যবস্থা পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়। পরিদর্শনকালে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার, চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান, তমা কনস্ট্রাকশনের পরিচালক বিমল শাহসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।